শিক্ষার্থীরা জানান, উপজেলার কাচঁপুর ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর তিনটি কক্ষে ১৭৭ জন শিক্ষার্থীকে ২০২৫ সালের প্রশ্ন দেয়া হয়।
পরে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি কক্ষে দায়িত্বরত শিক্ষককে বলার পরও কোনো ব্যবস্থা নেননি। পরে বেলা সাড়ে ১১টায় তাদের পরীক্ষার প্রশ্ন পরিবর্তন করে ২০২৬ সালের প্রশ্ন দিয়ে দেড় ঘণ্টা সময় বাড়ানো হয়। তাদের অভিযোগ নতুন করে সময় বাড়ানো হলেও নিদিষ্ট সময় পার হওয়ার আগেই খাতা নিয়ে নেয় শিক্ষকরা।
আরও পড়ুন:
অভিভাবকরা বলেন, ‘পরীক্ষার কেন্দ্রসচিব মতিন সরকারের দায়িত্বহীনতার কারণে আমাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ নষ্ট হলে এর দায়ভার কে নেবে। আমরা জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’
কাচঁপুর ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্রসচিব মতিন সরকার বলেন, ‘ভুলবশত ২৫ সালের প্রশ্ন দেয়া হয়েছে। পরে দেড় ঘণ্টা সময় বাড়িয়ে ২৬ সালের প্রশ্ন দেয়া হয়।’
আরও পড়ুন:
জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, ‘ভুলবশত ২৫ সালের প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। পরে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে সময় বাড়িয়ে পুনরায় পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এরইমধ্যে কেন্দ্রসচিব মতিন সরকারকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।’





