ডলারের মূল্য যথেষ্ট কমেছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ডলারের অবস্থান এখনো চমৎকার পর্যায়ে আছে। ব্যবসায়ীরা তার এই মন্তব্যে ধরে নেন ডলারের বিক্রি বৃদ্ধি পাবে। তবে সবকিছু উড়িয়ে দিয়ে এবার গেল চার বছরের ইতিহাসে সর্বনিম্নের কাছাকাছি নামলো ডলারের দাম।
ডলার সূচক বলছে, এর আগে বিশ্বের সমজাতীয় ছয়টি মুদ্রার বিপরীতে ডলারের মূল্য ছিলো শূন্য দশমিক দুই দুই শতাংশ বেশি, ৯৬ দশমিক এক এক চার। যা এক শতাংশেরও বেশি কমে গেল চার বছরে এখন সর্বনিম্নে। বুধবার এটি দাঁড়ায় ৯৫ দশমিক পাঁচ ছয় ছয়ে। এর আগে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে সর্বনিম্নে নামে। অন্যদিকে, ২০২১ সালের পর পাউন্ড স্টার্লিং এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে। আর বৃদ্ধি পেয়েছে জাপানিজ ইয়েনের মূল্য।
আরও পড়ুন:
এদিকে ডলার দুর্বল হওয়ার সাথে সাথে শক্তিশালী হচ্ছে স্বর্ণের অবস্থান। বুধবার স্বর্ণের দাম প্রথমবার রেকর্ড সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে প্রতি আউন্স ছাড়ায় ৫ হাজার ২শ। বছরের শুরু থেকে ২০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণ দাঁড়ায় ৫ হাজার ২শ ২৪ দশমিক নয় পাঁচে।
বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক সংকটের জেরে মানুষ এখন ধীরে ধীরে এই মূল্যবান ধাতুটির দিকে এগুচ্ছে। বিনিয়োগ করছে স্বর্ণে। বাড়ছে স্বর্ণের দাম। অন্যদিকে কমছে বিশ্বব্যাপী রাজত্ব করা ডলারের মূল্য।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে শীতকালীন ঝড়ে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় বেড়েছে জ্বালানী তেলের দাম। প্রবল ঝড়ে অচল হয়ে পড়েছে জনজীবন। জ্বালানী অবকাঠামো ও বিদ্যুৎ খাত চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর প্রভাব পরেছে জ্বালানী তেল শিল্পে। ব্যহত হচ্ছে জ্বালানী তেলের আমদানি রপ্তানি। বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ীদের ধারণা বলছে, মার্কিন প্রস্তুতকারকরা প্রতি দিন প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল বা ১৫ শতাংশ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।





