শিল্প-কারখানা
অর্থনীতি

পাল্টে গেছে পোস্তার চিত্র, এখনো জমেনি চামড়া বেচাকেনা

পুরান ঢাকার লালবাগের পোস্তায় এখনো জমে ওঠেনি চামড়া বেচাকেনা। ছোট ও মাঝারি আকারের গুদামে কেনাবেচা চলছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্প স্থানান্তরের কারণে পোস্তা তার জৌলুশ হারিয়েছে। তবে বিকেলের দিকে বেচাকেনা বাড়তে পারে, বলছে ব্যবসায়ীরা।

কয়েক বছর আগেও কোরবানির পরদিন লালবাগের রাস্তায় হাঁটার পথ পাওয়া যেতো না চামড়া বেচাকেনার ভিড়ে। তবে দিনে দিনে চিত্র পাল্টেছে।

কোরবানির দ্বিতীয় দিনেও লালবাগে এবার জমেনি চামড়া বেচাকেনা। আবার স্বল্প পরিসরে যে বেচাকেনা চলছে সেখানেও ভালো দাম না পাওয়ার দাবি বিক্রেতাদের।

এবার ঢাকায় সরকার নির্ধারিত গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুটের মূল্য ঠিক করা হয়েছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। এছাড়া ঢাকায় খাসির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা। তবে এই দামে চামড়া কিনছেন না ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। লবণের দাম বৃদ্ধি এবং প্রক্রিয়াজাত খরচ বৃদ্ধির অজুহাত দিচ্ছেন তারা।

বিক্রেতারা বলেন, একটা ৪০০ টাকার চামড়া সব খরচ মিলিয়ে দাম হয় ৮০০ টাকা। চামড়ার কোনো দামই নাই। ব্যবসাটা সিন্ডিকেট হওয়াতে আগের মতো আর নাই। এই শিল্পটাকে এগিয়ে নিতে হলে সরকারের উদ্যোগ দরকার।

এদিকে এবার একদিনে দেড় লাখ পিস পশুর চামড়া কেনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মো. আফতাব খান।

তিনি বলেন, 'এবার চামড়ার সরবরাহ অনেক কম। কোনো মৌসুমী ব্যবসায়ী কিন্তু গাছতলায় বসে কান্নাকাটি করে না। দুই-একজন হয়তো আপনাদের কাছে অভিযোগ করতে পারে। তাদের টাকা প্রথম দিনেই পরিশোধ করা হয়। তারা না থাকলে চামড়া সব নষ্ট হয়ে যাবে।'

সরকার প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিলেও ব্যবসায়ীরা চামড়া কিনছেন চোখের আন্দাজে। ফলে অনেকক্ষেত্রেই ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বিক্রেতারা।

এভিএস

এই সম্পর্কিত অন্যান্য খবর