দেশে ব্যাংক হিসাব ১৯ কোটি ছাড়ালো; সঞ্চয়ী হিসাব পৌনে ১৮ কোটি

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি | ছবি: সংগৃহীত
0

ব্যাংকিং খাতে বড় মাইলফলক অর্জন করেছে বাংলাদেশ। দেশে বর্তমানে মোট ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ১৯ কোটি ৩২ লাখ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে পৌনে ১৮ কোটির বেশি সাধারণ মানুষের সঞ্চয়ী হিসাব। ২০৩১ সালের মধ্যে দেশের সব নাগরিককে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে সরকার ‘জাতীয় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কৌশল-২’ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।

আজ (বুধবার, ২৪ জুন) জাতীয় সংসদে চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তরটি টেবিলে উত্থাপিত হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে সর্বমোট ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ কোটি ৩২ লাখ ৫১ হাজার ২৩২টি। এর মধ্যে সাধারণ মানুষের সঞ্চয়ী হিসাব ১৭ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৫টি। এছাড়া দেশের ব্যাংকগুলোতে বর্তমান মোট ঋণ হিসাবের সংখ্যা ১ কোটি ৫৩ লাখ ৭৬৭টি।

মন্ত্রী জানান, দেশের শতভাগ প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সামগ্রিক হার দাঁড়িয়েছে ৬৪.৫০ শতাংশ।

এ হারের মধ্যে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), বীমা, শেয়ার বাজার এবং ক্ষুদ্রঋণ সংস্থাসহ সব ধরনের বৈধ আর্থিক সেবা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। চলমান ‘জাতীয় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কৌশল’-এর মেয়াদ ২০২৬ সালের জুনে শেষ হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, এই লক্ষ্যমাত্রাকে শতভাগে উন্নীত করতে সরকার দ্বিতীয় পর্যায় অর্থাৎ ‘জাতীয় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কৌশল-২’ (এনএফআইএস ২) প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

নতুন এ মহাপরিকল্পনাটি ২০২৬ সালের জুন থেকে শুরু হয়ে ২০৩১ সালের জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি নাগরিককে কোনো না কোনো বৈধ আর্থিক সেবার আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অর্থমন্ত্রী।

এএইচ