ঈদের পর থেকেই নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে উত্তাল ইসলামী ব্যাংক। ‘সচেতন গ্রাহক ফোরামের’ ব্যানারে একদল গ্রাহকের টানা আন্দোলনের মুখে, সাধারণ আমানতকারীদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। ফলে ব্যাংকটি থেকে বিপুল পরিমাণ আমানত তুলে নেন গ্রাহকরা।
পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, গ্রাহকদের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে সিআরআর বা নগদ জমা সংরক্ষণেও ব্যর্থ হয় ব্যাংকটি। এই সংকট সামাল দিতে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তারল্য সহায়তা চেয়ে আবেদন করে ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। যার প্রেক্ষিতে প্রাথমিকভাবে আড়াই হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
এর আগে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনেও ইসলামী ব্যাংককে সব ধরনের সহায়তার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। তিনি আশ্বস্ত করেছিলেন, আমানতকারীদের টাকা তুলতে কোনো সমস্যা হবে না এবং প্রয়োজনে জরুরি তারল্য সহায়তা দেয়া হবে।





