অর্থনীতি

'এলডিসি উত্তোরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বর্তমান রিজার্ভ যথেষ্ট'

এলডিসি থেকে উত্তোরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের বর্তমান রিজার্ভ যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ব্যবসা খাত ও সার্বিক অর্থনীতির অগ্রগতি করতে হলে রপ্তানি উৎপাদন বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে মনে করন তারা। এজন্য নতুন রপ্তানি বাজার তৈরির আশ্বাস বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের।

বাংলাদেশের কাস্টমস হয়ে প্রায় দেড় হাজার এইচএস কোডের পণ্য রপ্তানি হয়। আর মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫ শতাংশ আসে গার্মেন্টস পণ্য থেকে। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পরবর্তী আন্তর্জাতিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বাদ পড়লে উৎপাদন খাত যে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে, তা নিয়ে এখনই ভাবতে হচ্ছে সরকারকে। এ অবস্থায় ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ১৩ বিলিয়ন ডলারে। যা দিয়ে সর্বোচ্চ তিন মাস আমদানি করে চলতে পারবে দেশ।

এ অবস্থায় অন্তত ৭ মাসের রিজার্ভ না থাকলে তাকে ঝুঁকিমুক্ত বলতে চান না অর্থনীতিবিদরা। আর রিজার্ভ বাড়াতে গার্মেন্টসনির্ভর না থেকে বাড়াতে হবে রপ্তানিযোগ্য পণ্য ও তার মার্কেট শেয়ার।

বৃহস্পতিবার ( ২০ জুন) বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের এক সেমিনারে এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, 'আমদানিনির্ভর কাঁচামালে বছরের পর বছর রাজস্ব ছাড় দিয়ে আসলেও অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে বের হতে পারেনি দেশিয় কোম্পানিগুলো। তবে, ছাড়ে কাঁটছাঁট করতে চান তারা। আর সে চ্যালেঞ্জ নিতে হবে উৎপাদন খাতকেই।'

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, 'তুলাভিত্তিক উৎপাদন থেকে বের হয়ে আসতে ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক বাজার ধরতে সরকার কাজ করছে।' একই দিনে ভিন্ন এক অনুষ্ঠানে সার ও তেলের পেছনে সরকারের ভর্তুকির কারণেই রিজার্ভ কমেছে বলে দাবি করেন তিনি।

দুই দশক পর নতুন রপ্তানি নীতি করেছে করেছে সরকার। এটি বাস্তবায়নে সব খাতকেই একসঙ্গে কাজ করার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।

ইএ

এই সম্পর্কিত অন্যান্য খবর