জামায়াতে ইসলামীর আমীর বলেন, 'মানুষরূপী কিছু পশু ২০১৮ সালে নোয়াখালীর সুবর্নচরে বড় ধরনের অপকর্ম করেছে। দেশটাকে একটি জাহান্নাম বানিয়ে রাখার কারণে সেদিন মানুষ মুখ ফুটে প্রতিবাদ করতে পারেনি। আমরাও আমাদের নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে পারি নাই, পাশে এসে দাঁড়াতে পারি নাই। এই চিত্র বাংলাদেশে কমবেশি থাকলেও এত নিকৃষ্ট মানের উদাহরণ বাংলাদেশে খুব কম আছে।'
তিনি বলেন, 'যারা আল্লাহকে ভয় করে তাদের আর কাউকে ভয় করার প্রয়োজন নেই। আমরা আমাদের অস্তিত্ব অনেকটাই হারিয়ে ফেলেছি। জাতি হিসেবে আবার অস্তিত্ব ফিরে পাওয়ার লড়াই শুরু করতে হবে। এ লড়াই হচ্ছে মর্যাদার লড়াই। মানুষ হিসেবে মর্যাদার সাথে বেঁচে থাকার লড়াই। নিরাপত্তার লড়াই। সেই লড়াইয়ে যদি আমরা বিজয়ী হই তাহলে বাংলাদেশের জনগণকে একটি মানবিক বাংলাদেশ উপহার দিবো।'
কান্না জড়িত কণ্ঠে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, 'তার মান-ইজ্জতের যে ক্ষতি হয়েছে, আল্লাহ তাআলা তাকে তা পুষিয়ে দিক। একজন বোনের সম্মানের মূল্য আমাদের জীবনের চেয়ে বেশি। পশুরা বুঝলো না। মানুষ যখন আল্লাহকে ভুলে যায় তখন বেপরোয়া হয়ে যায়। মানুষ যখন আল্লাহকে ভয় করে তখন মানুষ তো দূরের কথা একজন নিরীহ প্রাণীরও কোনো ক্ষতি হবে না। যারা আল্লাহকে ভয় করে তাদের আর কাউকে ভয় করার প্রয়োজন নেই।'
সুবর্ণচর উপজেলা আমীর মাওলানা জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে পথসভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমীর জনাব কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভুঁইয়া, মাওলানা আলা উদ্দিন, মাওলানা শামছুদ্দিন, ফেনী জেলা আমীর মুফতী মাওলানা আব্দুল হান্নান।
এছাড়া নোয়াখালী জেলা নায়েবে আমির মাওলানা সাইয়েদ আহাম্মদ, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক শেখ সাহাব উদ্দিন, সূবর্ণচর উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা জামাল উল্লাহ মুকুলসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।