আজ (বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরগুনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকিত হাসান খান এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, চক্রটি এক ব্যক্তির এনআইডি দিয়ে সংগৃহীত সিম এবং অন্য ব্যক্তির ট্রেড লাইসেন্স ব্যবহার করে অভিনব কায়দায় ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট খোলে। পরবর্তীতে পাথরঘাটার ‘সোহেল স্টোর’ নামক একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স ব্যবহার করে পরিচালিত ওই অ্যাকাউন্টে ৯৪ লাখ ৬৬ হাজার টাকা লেনদেন করা হয়। পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।
আরও পড়ুন:
প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত একটি নির্দিষ্ট আইএমইআই নম্বরের মোবাইল হ্যান্ডসেটে মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে ৯৪টি সিম পরিবর্তন করে অবৈধ এই লেনদেন পরিচালনা করা হচ্ছিলো।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, এই অনলাইন জুয়া ও প্রতারণা চক্রের মূল হোতা মারুফ চৌধুরী নামে এক অনলাইন জুয়াড়ি।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট প্রতারণা ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। চক্রের মূল হোতাসহ অন্যান্য পলাতক সদস্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





