পরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে নারী-পুরুষসহ আদিবাসী সম্প্রদায়ের ১৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বিল্লাল হোসেন উপজেলার জারুলতলা এলাকার জুলহাসের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ধান ব্যবসায়ী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ৪ আগস্ট বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন বিল্লাল হোসেন।
এরপর পরিবারের সদস্যরা আত্মীয় স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে ঝিনাইগাতী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
আরও পড়ুন:
এদিকে বুধবার দুপুরে পূর্ব গজারীকুড়া এলাকার রঞ্জনা খালের পাড়ে দুর্গন্ধ পায় স্থানীয়রা এবং বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তারা আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেন। একপর্যায়ে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন শেরপুরের পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলাম।
এসময় তিনি বলেন, ‘বিল্লাল হোসেনকে হত্যার পর তার মরদেহ সেখানে মাটিচাপা দেয়া হয়ে থাকতে পারে। ময়নাতদন্তের পর হত্যার কারণ এবং এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত সম্ভব হবে।’

 founder Abhijeet Dipke during a protest-320x167.webp)


