এর আগে, ভোরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর মহিষারন গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ৫ আগস্ট বাদী হয়ে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা রিপনকে একমাত্র আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেছেন।
জানা যায়, গত ৩০ জুলাই কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বানানোর অজুহাতে কিশোরীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের ঘটনায় ধরা পড়ে রিপন। পরে ৩ আগস্ট স্থানীয় সালিশি বৈঠক বসে। সেখানে অপরাধ স্বীকার করে কিশোরীর পরিবারকে ৫ লাখ টাকা দিয়ে গ্রাম ছাড়ার নির্দেশে রাজি হয় রিপন। কিন্ত পরদিন সকালে তিনি গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান।
এদিকে সালিশি বৈঠকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ তদন্তে গেলে রিপন মিয়ার সন্ধান পায় না। সেইসঙ্গে কিশোরীর পরিবারও গা ঢাকা দেয়।
আরও পড়ুন:
এক পর্যায়ে কিশোরীর পরিবারের খোঁজ মিললে থানায় মামলা করতে পাঠায় পুলিশ। এর প্রেক্ষিতে র্যাব-১৪ ময়মনসিংহের একটি দল আজ তাকে গ্রেপ্তার করে।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, রিপন নিজ গ্রাম ছোট নন্দুরায় প্রতিবেশী এক কিশোরীকে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বানিয়ে রাতারাতি ভাইরাল বানানোর প্রলোভনে তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলে প্রায় সময় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতো। এক পর্যায়ে গত ৩০ জুলাই গ্রামবাসীরা আপত্তিকর অবস্থায় তাদের ধরে ফেলে।
নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে গ্রেপ্তারের পর র্যাব-১৪ আমাদের কাছে ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত রিপন মিয়াকে হস্তান্তর করেছে।
আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আগামীকাল রিপন মিয়াকে আদালতে তোলা হবে বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।





