দুপুরের পর থেকেই জনমনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পৌর সদরের জিরো পয়েন্ট, কলেজ রোড, ছাগলনাইয়া-ফেনী সড়ক এবং ছাগলনাইয়া-শুভপুর সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে র্যাব ও পুলিশের সদস্যরা সশস্ত্র অবস্থান নেন। একইসঙ্গে তল্লাশি ও নিরাপত্তা টহল জোরদার করা হয়।
বিকেল ৫টার দিকে কলেজ রোড এলাকায় আলমগীর সিদ্দিকী গ্রুপের কয়েকজন সমর্থক জড়ো হওয়ার চেষ্টা করলে র্যাব ও পুলিশের বাধার মুখে তারা সেখান থেকে সরে যান।
আরও পড়ুন:
এসময় ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহেরের সঙ্গে ছাত্রদল নেতা নাদিম উদ্দিন ও তার এক সহযোগীর বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।
এর আগে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ঘোপাল ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আলমগীর সিদ্দিকী ও তার সমর্থকদের হামলায় উপজেলা বিএনপির নেতা রিয়াজ উদ্দিন মজুমদার টিপু গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগ ওঠে। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার গাড়িচালক আদনান, হুমায়ুন, সোহেল ও ইমনও আহত হন।
এ ঘটনায় ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ২০ থেকে ৩০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে ছাগলনাইয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আহত রিয়াজ উদ্দিন মজুমদার টিপু।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে একই দিনের ভোরে আলমগীর সিদ্দিকী গ্রুপের সদস্য হানিফ আহত হন। এ ঘটনায় সিদ্দিকী গ্রুপ টিপু গ্রুপকে দায়ী করলেও উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ছাগলনাইয়া থানার ওসি মো. আবু তাহের বলেন, দুই পক্ষের কর্মসূচি ও পাল্টা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।




