গুপ্তচরবৃত্তি ও তথ্যপাচার: ভারতীয় নাগরিকের আরও ৭ দিনের রিমান্ড

ভারতীয় নাগরিকের আরও ৭ দিনের রিমান্ড
ভারতীয় নাগরিকের আরও ৭ দিনের রিমান্ড | ছবি: সংগৃহীত
0

সরকারি গোপন আইন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ নিয়ে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেয়া হবে তাকে।

আজ (বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এই রিমান্ড আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন-উর-রশিদ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

গত ২১ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ৩টার দিকে রাজধানীর উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টর থেকে রবিউলকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে পুলিশ। পরের দিন ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তুলে তার সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। সেদিন আদালত চার দিনের রিমান্ড দেন। এরপর গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) আরও চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

দুই দফায় জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে আনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) উত্তরা পশ্চিম থানায় তার বিরুদ্ধে ১৯২৩ সালের সরকারি গোপন আইনে মামলা করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার এই মামলায় রবিউলকে আদালতে হাজির করে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবির পরিদর্শক মো. নুর আলম। আদালত এই আবেদন মঞ্জুর করলে তদন্ত কর্মকর্তা ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পাসপোর্টে জন্ম তারিখের গরমিল রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ১০ থেকে ১২ বছর ধরে পর্যটন ও ব্যবসা ভিসায় বাংলাদেশে যাতায়াতের কথা স্বীকার করেন। ব্যবসার আড়ালে গুপ্তচরবৃত্তির মাধ্যমে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ ও তথ্যপাচারের অভিযোগ করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বিবরণে আরও বলা হয়, চলতি বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করেন রবিউল। ১৫-২১ সেপ্টেম্বর তিনি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও নিষিদ্ধ এলাকার ছবি, নথি ও তথ্য বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানোর চেষ্টা করেন। এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সরকারি গোপন আইনের ৩, ৩(এ), ৪, ৫ ও ৯ ধারায় মামলা করা হয়েছে।


এফএস