নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, সকালে শফিউল আলম অফিসে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। পরে তিনি স্ত্রী নাজমাকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল দিলেও কোনো খবর না পেয়ে সাবেক ভাড়াটিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে।
পরে তিনি বাসার নিচতলার ভাড়াটিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারেন নাজমা আলমের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এসময় তিনি ওই বাড়ির তিনতলায় ঘরের ভিতর গিয়ে হাত বাধা, গলায় রশি পেঁচানো ও রক্তাক্ত অবস্থায় নাজমার মরদেহ দেখতে পায়। পরে পরিবারের সদস্যদের ও পুলিশে খবর দেয়া হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী বলেন, ‘এটি নিঃসন্দেহে হত্যা। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে তার মৃত্যু কিভাবে হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’





