গ্রেপ্তাররা হলো— মো. সিফাত আহমেদ সজিব (২২), মো. সালমান (২২), মো. মেছবাউল আলম মাহিন (১৯) ও মো. মহিদুজ্জামান মুন্না (১৯)।
গত সোমবার (২০ এপ্রিল) সিটি-ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ (সিউটিসি) কর্তৃক সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিংয়ের সময় ‘এসএসসি-২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস গ্রুপ’ নামক একটি ফেসবুক পেজ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়। প্রাপ্ত তথ্য ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সিটিটিসির একটি চৌকস দল রাত ৮টা ২০ মিনিটে ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার জিরাবো তাঁজপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মো. সিফাত আহমেদ সজিবকে গ্রেপ্তার করে।
পরে সিফাতের স্বীকারোক্তি ও প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণের পর গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বগুড়ার ধুনট থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. সালমানকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
একই দিন দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানাধীন নবাবগঞ্জ বাজার হতে দেওগাঁ রিয়াজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালেয়গামী পাকারাস্তার মধ্যবর্তী দাদনপুর মালিপাড়াগামী কাচারাস্তার সংযোগ স্থলে কাচাঁরাস্তার ওপর থেকে মো. মেছবাউল আলম মাহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন:
পরবর্তীতে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল (শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল) সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন নওগাঁ ইউনিয়নের শাহ শরীফ জিন্দানী (রহ.) এর মাজার সংলগ্ন শ্বশুরের বাড়ি থেকে মো. মহিদুজ্জামান মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ কারণে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনগুলো জব্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তাররা অবৈধভাবে আর্থিক লাভের উদ্দেশে পরীক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যাহত করার চেষ্টা করেছে। পাশাপাশি তারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নৈরাজ্য, হতাশা, উদ্বেগ ও নৈতিক বিপর্যয় সৃষ্টি করার অপচেষ্টাও চালায়।
এ ঘটনায় গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে ডিএমপি রমনা মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে এবং গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীণ রয়েছে বলেও জানায় পুলিশ।





