পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, তিনজন ব্যক্তি মোটরসাইকেল যোগে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা নিয়ে চান্দগ্রাম থেকে বড়লেখার দিকে আসছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান খানের (ওসি) নেতৃত্বে গতকাল (বুধবার, ৮ এপ্রিল) রাতে বড়লেখা উত্তর চৌমোহনা এলাকায় চেকপোষ্ট বসিয়ে মোটরসাইকেল তল্লাশি চালানো হয়।
পুলিশ আরও জানায়, চেকপোষ্ট চলাকালীন একটি মোটরসাইকেলকে থামার সিগনাল দিলে তা অমান্য করে পালানোর চেষ্টাকালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যায়। এসময় পুলিশ ফোর্সের সহায়তায় রাসেলকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাকে তল্লাশি করে রাসেলের হাতে থাকা শপিং ব্যাগ থেকে ২০টি প্যাকেট কালো পলিব্যাগের মধ্যে মোড়ানো ৪ হাজার পিস গোলাপী রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সঙ্গে তার ব্যবহৃত একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন:
আটক মাহমুদ মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা থানার বিওসি কেছরীগুল মধ্য ডিমাই গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে।
ওসি মনিরুজ্জামান খান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল স্বীকার করেছে যে, সে এবং তার দুই পলাতক সহযোগী দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা সিলেটের গোয়াইনঘাট সীমান্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করতো।
তিনি জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাসেল ও তার পলাতক দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।





