গতকাল বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে হাজারীবাগের হায়দার হোটেলের গলিতে স্কুল ছাত্রী শাহরিয়ার শারমিন বিন্তির সঙ্গে হেঁটে আসতে দেখা যায় আরও একজনকে।
এর কিছুক্ষণ পরই ভবনের উপর থেকে করা এক ভিডিওতে ওই কিশোরকে একটি ছুরি মুছতে দেখা যায়। এসময় বিন্তির চিৎকারে সেখানে জড়ো হন আশপাশের অনেকেই।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত বিন্তি দৌড়ে বাড়ির দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে, কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন বলেন, ‘আমি শুনেছি মেয়েটি বলেছে আমাকে বাঁচাও,বাঁচাও। পরে আমি দেখেছি ওই ছেলেটার ছুঁড়ি হাতে সঙ্গে মোবাইল। হাতে রক্ত ছিলো। সেই রক্ত মুছিতেছিলো সে।’
রায়েরবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন বিন্তি। মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তে নিথর বিন্তি বলে যান ছুরিকাঘাত করা ওই কিশোরের নাম সিয়াম।
আরও পড়ুন:
প্রত্যক্ষদর্শীদের আরেকজন বলেন, ‘নিবিলি জায়গা পেয়ে মেয়েকে আঘাত করেছে। পিঠে আঘাত করা হয়েছে। তখন সে চিৎকার করতে করতে বাসায় যাচ্ছিলো, তখন একজন জানায় মেয়ে নাকি বলেছে সিয়াম নামের একজন তাকে আঘাত করেছে।’
হাসপাতালে মেয়ের মরদেহ পোস্টমর্টেম ছাড়াই নিতে মিনতি বিন্তির মায়ের। আর বাবা জানান, সিয়াম ছিলো পূর্ব পরিচিত। এর আগেও, বেশ কয়েকবার ওই কিশোর তার মেয়েকে উত্যক্ত করে বলেও জানান তিনি।
নিহত বিন্তির বাবা বলেন, ‘সিয়াম, একই স্কুলে পড়তো তারা। আমি কিছু বলতে পারছি না। আমি ওপরে ছিলাম। নিছে এসে দেখলাম আমার মেয়েকে কুপিয়ে রেখে গেছে। আমি এখন শুনলাম একটি ছেলে তাকে ডিসটার্ব করতো, সেই ছেলেই এসেছে। সিসিটিভি ফুটেজও পাওয়া গেছে।’
পুলিশ জানায়, দ্রুতই ঘাতককে গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালাচ্ছেন তারা।





