নিহত আমেনা বেগম কেরাবো এলাকার দেওয়ান কামরুজ্জামান বাবুলের স্ত্রী। এছাড়া গণধোলাইয়ে নিহত মেহেদী কাঞ্চন পৌরসভার মস্তাপুর এলাকার রেজাউলের ছেলে।
নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, কেরাবো এলাকার কামরুজ্জামান বাবুলের বাড়িতে গত ৪ দিন পূর্বে টাইলস বসানোর কাজ করেছিল মেহেদীসহ কয়েকজন। এদিকে শুক্রবার দুপুরে বাড়ি ফাকা ভেবে চুরির উদ্দেশে মেহেদী ঘরের ভিতর প্রবেশ করে। এসময় ঘরের ভিতরে থাকা গৃহবধূ আমেনা বেগম তাকে বাধা দিলে মেহেদী তার হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে আমেনা বেগমকে।
আরও পড়ুন:
মুমূর্ষু অবস্থায় আমেনা বেগমকে স্থানীয় একটি বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এদিকে ঘাতক মেহেদী পালিয়ে যাবার সময় আশপাশের লোকজন তাকে আটক করে।
আমেনা বেগমের মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা আটক মেহেদীকে গণধোলাই দিলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।
এ ব্যাপারে সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মরদেহ দুইটির ময়নাতদন্তের জন্য প্রাথমিক সুরতহাল সম্পন্ন করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’





