রায়হান নারায়ণগঞ্জের গলাচিপা এলাকার মেছের আলীর ছেলে। বর্তমানে রায়হান পরিবার নিয়ে ফতুল্লার তল্লা এলাকায় বসবাস করতেন। নিহত রায়হান পেশায় একজন বাবুর্চি ছিলেন।
রায়হানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা ইজিবাইক চালক কবির বলেন, ‘রাত সোয়া ৮টায় ইসদাইর সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় রোহানকে পড়ে থাকতে দেখে আমার ইজিবাইকে তুলে দেয়। পরে আমি তাকে খানপুর হাসপাতালে নিয়ে আসি। পরে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
আরও পড়ুন:
খানপুর হাসপাতালে জরুরি বিভাগের কর্মরত চিকিৎসক শাহাদাত বলেন, ‘নিহতের মাথায় বেশ কিছু আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। মনে হচ্ছে ধারালো কোনো অস্ত্রের আঘাত। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।’
এদিকে নিহতের ছেলে সাব্বির অভিযোগ করেন, ইসদাইর এলাকার মাদক ব্যবসায়ী রাজ্জাকের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতা ছিলো। এর আগে একবার তাকে ছুরিকাঘাতে আহত করে তারা। তারা আবারও হামলা করেছে।
এ বিষয়ে ফতুল্লা থানার উপ-পরিদর্শক আবু রায়হান বলেন, ‘আমরা ঘটনাটি শুনেছি। হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছি। হত্যাকাণ্ডের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হত্যার সঙ্গে জরিতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’





