বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী হত্যার ঘটনায় হোটেল কর্মী মিলন গ্রেপ্তার

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি | ছবি: সংগৃহীত
0

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে ফাতেমা আক্তার লিলি নামে স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হোটেল কর্মী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। আজ (সোমবার, ১২ জানুয়ারি) সকালে র‌্যাব এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’র একটি বাসা থেকে ওই স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

ফাতেমা আক্তার বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মা-বাবা, ভাই ও বোনের সঙ্গে ওই বাসায় থাকত সে। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাইয়ে। তার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রীতে একটি রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেন।

নিহতের বড় বোন শোভা জানিয়েছিলেন, জমিজমা-সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের বাবা-মা গত ৭ জানুয়ারি (বুধবার) গ্রামের বাড়িতে যান। এদিকে তাদের একটি হোটেলের ব্যবসা রয়েছে।

আরও পড়ুন:

৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাত ১১টার দিকে খাবার নেওয়ার জন্য হোটেলের কর্মচারী মিলন বাসায় এলে লিলি তার সঙ্গে কিছুটা খারাপ ব্যবহার করে। ১০ জানুয়ারি (শনিবার) দুপুরেও মিলন খাবার নিতে বাসায় আসে।

এদিন শোভা দুপুর দেড়টার দিকে জিমনেশিয়ামে যাওয়ার সময় লিলিকে দরজা লক করে দিতে বলেন। জিম থেকে ফিরে তিনি দেখেন গেট লাগানো থাকলেও ঘরের দরজা খোলা এবং ভেতরে সবকিছু এলোমেলো।

শোভা জানান, বাসার ভেতর লিলিকে কুঁকড়ানো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে মাথায় আঘাত পেয়েছে ভাবলেও পরে হিজাব খুলে দেখি গলায় রশি প্যাঁচানো এবং গলা বঁটি দিয়ে কাটা।

এএইচ