পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র তৎপরতার প্রতিবাদে একই সময়ে পাল্টা সড়ক অবরোধ পালন করছে পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি নামের আরেক সংগঠন। এতে সাজেকসহ তিন উপজেলা বাঘাইছড়ি, লংগদু ও দীঘিনালা সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। যান চলাচল বন্ধ থাকায় মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। তবে দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোনো সংঘাতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন।
সকাল ৬টা থেকে খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকসহ তিন উপজেলা দীঘিনালা, বাঘাইছড়ি ও লংগদু সড়কে যাত্রাবাহী বা পন্যবাহী কোনো যান চলাচল করতে দেখা যায়নি। যাতায়াতকারী অনেকেই গাড়ি না পেয়ে হেঁটেই পাড়ি দিচ্ছেন ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটারের পথ। তবে কর্মসূচির সমর্থনে পথে পথে অবরোধকারীদের অবস্থান দেখা গেছে। কোথাও কোথাও সড়কে গাছ ও আড়াআড়িভাবে যানবাহন রেখে কর্মসূচি পালন করছেন তারা।
আরও পড়ুন:
ওসি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘সড়ক অবরোধ শিথিল ও পাল্টা সড়ক অবরোধে দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোনো সংঘাতের খবর পাওয়া যায়নি। আমরা সার্বিক বিষয়ে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রেখেছি।’
মূলত কয়েক দফা বন্দুকযুদ্ধে বেহাত হওয়া সাজেক থেকে প্রতিপক্ষ জেএসএস অস্ত্রধারীদের সরানোর দাবিতে গেলো ১১ ও ১৫ অক্টোবর দুই দফায় এবং সর্বশেষ তৃতীয় দফায় ২২ অক্টোবর থেকে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে ইউপিডিএফের দুই সংগঠন।
এর মধ্যেই শনিবার (৩১ অক্টোবর) আবারও বন্দুকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে ইউপিডিএফ ও জেএসএসের সদস্যরা। তবে এ সংঘাতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সাজেক ইউনিয়নের চাইলাতলী এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইউপিডিএফ-জেএসএস সন্ত্রাসীদের বন্দুকযুদ্ধে কস্মিতা ত্রিপুরা নামে ৮ বছর বয়সী এক শিশু হাতে গুলিবিদ্ধ হয়। এ ঘটনার পর থেকেই ইউপিডিএফ নিজেদের এলাকা পুনরুদ্ধারে দফায় দফায় সড়ক অবরোধ চালিয়ে আসছে দুই সংগঠনকে সামনে রেখে।





