এসআরবি-১৫-এর দেয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এসআরবি-১৫, সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) জানতে পারে, একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র কয়েকজনকে জোরপূর্বক সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে দক্ষিণ লম্বরী এলাকার মো. ইব্রাহীমের বাড়িতে জড়ো করেছে।
এর ভিত্তিতে শুক্রবার বিকেল আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটে ওই বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে আভিযানিক দল।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে ১৭ জন পুরুষকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন:
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে বান্দরবানের লামা এলাকার সাতজন এবং কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, কক্সবাজার সদর ও টেকনাফ এলাকার ১০ জন রয়েছেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে এসআরবি-১৫ জানায়, আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশে একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র এসব মানুষকে জবরদস্তিমূলক শ্রম আদায়ের ফাঁদে ফেলে সমুদ্রপথে বিদেশে পাচারের জন্য ওই বাড়িতে জড়ো করেছিল।
এ ঘটনায় পলাতক ও অজ্ঞাতনামা পাচারকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া ১৭ জনকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।




