নিহত মরিয়ম উপজেলার পুরাতন বাখরবা গ্রামের সজিব হোসেনের মেয়ে। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে মায়ের সঙ্গে হরিহরা গ্রামে নানাবাড়িতে বেড়াতে এসেছিলো মরিয়ম। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে মায়ের পাশেই এক ঘরে ঘুমিয়ে ছিলো সে। মধ্যরাতের দিকে কোনো এক সময় একটি বিষধর সাপ তার শরীরে কামড় দেয়। তবে ঘুমন্ত অবস্থায় বিষয়টি ওই শিশু বা তার পরিবার তাৎক্ষণিকভাবে টের পায়নি।
আরও জানা যায়, ভোররাতের দিকে শারীরিক অসুস্থতা ও প্রচণ্ড যন্ত্রণা শুরু হলে মরিয়ম কান্নাকাটি শুরু করে। স্বজনরা শরীর ও পায়ের চিহ্ন দেখে সাপের কামড়ের বিষয়টি আঁচ করতে পারেন। এরপর দ্রুত তাকে উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন:
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে আনা হয় বেশ কিছুটা দেরিতে। তার শরীরে বিষ ছড়িয়ে পড়েছিলো। চিকিৎসকরা বিষমুক্ত করার চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত শিশুটিকে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রামাঞ্চলে বর্ষা ও এর পরবর্তী সময়ে বিষধর সাপের উপদ্রব উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যায়। এজন্য ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করা এবং সাপে কাটলে সময় নষ্ট না করে অবিলম্বে ওঝা বা ঝাড়-ফুঁকের ওপর ভরসা না করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ তাদের।




