তিনি বলেন, ‘আমরা নিজেকে সুস্থ রাখি, নিজের পরিবারকে সুস্থ রাখি, নিজের সমাজকে সুস্থ রাখি ও নিজের দেশকে সুস্থ রাখতে সহযোগিতা করি। আমরা যদি সপ্তাহে একদিন নিজের থাকার যায়গা ও তার চারপাশ পরিষ্কার করি তাহলে দ্রুততার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ হতে পারবো। যারা আবর্জনা তৈরি করবে, ময়লা ফেলবে আমরা তাদের নিরুৎসাহিত করি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তরুণ সমাজ দেখিয়ে দিয়েছে দেশকে কীভাবে পরিবর্তন করতে হবে। একটি পরিচ্ছন্ন পরিবার, পরিচ্ছন্ন দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ।’
আরও পড়ুন:
এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন, সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ার হোসেন, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক ডা. মো. শেখ ছাদেক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শান্তনু কুমার দাশ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. ইয়াছিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহাবুব আলমগীর আলোসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচির আওতায় এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস, জমে থাকা পানি ও আবর্জনা পরিষ্কার এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্ব দেয়া হয়।
সরকারের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন মাসব্যাপী এ অভিযান চলবে। প্রতি শনিবার দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
এসময় সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও নিজ নিজ বাড়িঘর, আঙিনা এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে জনসাধারণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।




