আজ (মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার অনুরোধ করেছে আরপিএমপি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে এমনভাবে খবর প্রকাশ করা হচ্ছে, যাতে জনমনে ধারণা তৈরি হচ্ছে যে মাছুয়াপাড়ার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদকে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। তবে এ ধরনের উপস্থাপন তথ্যগতভাবে সঠিক নয়।
আরপিএমপি জানায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের ১২ আগস্টের এক স্মারকের মাধ্যমে মোহাম্মদ আবদুল মাবুদকে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার পদ থেকে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়। অর্থাৎ, ২২ আগস্ট মাছুয়াপাড়ায় একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনার আগেই তার পদায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।
তাই হত্যাকাণ্ডের পর তাকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে কিংবা ওই ঘটনার কারণে তার পদায়ন হয়েছে—এমন তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আবদুল মাবুদের নেতৃত্ব ও সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর সমন্বিত কার্যক্রমে মাছুয়াপাড়া হত্যাকাণ্ডের তদন্তে দ্রুত অগ্রগতি হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট মাঠে নামে এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রাথমিক রহস্য উদ্ঘাটন করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে আরপিএমপি।
আরপিএমপির ভাষ্য, চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় দ্রুত তদন্তের অগ্রগতি ও আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্ব, তদারকি এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যদের পেশাদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
সঠিক তথ্য জনগণের জানার অধিকার উল্লেখ করে পুলিশ বলেছে, পূর্বনির্ধারিত প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে কোনো ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করাই দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের অংশ। জননিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও জনআস্থা রক্ষায় পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রত্যয়ও জানিয়েছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।





