আজ (সোমবার, ২৪ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কয়েকটি সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এর মধ্যে প্রতিযোগিতা উপভোগকারীরা তাদের নৌকায় সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে ‘নাচানাচি’ করতে না পারার সিদ্ধান্ত অন্যতম।
আরও পড়ুন:
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ বলেন, ‘বাইচ দেখতে যারা আসে তরুণ বয়সের, তাদের মধ্যে নৌকায় করে জোরে জোরে সাউন্ড বাজায়, নাচানাচি করে— সেগুলো নিষেধ। এর আগে নাকি পানিতে পড়ে মারাও গেছে। ওরা বেশি উশৃঙ্খল হয়ে যায়, পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রণ করা কষ্ট হয়ে যায়। নদীর যে অংশে বাইচ হবে, সেখানে অন্য কাউকে নামতে দেয়া হবে না।’
জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদের সভাপতিত্বে প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) পিয়াস বসাক, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক তানিম সাহেদ, সিনিয়র সাংবাদিক পীযূষ কান্তি আচার্য ও আল আমিন শাহীন।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর জেলা প্রশাসন আয়োজিত নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা দেখতে তিতাস নদীর দুই তীরে ভিড় করেন লাখো মানুষ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকেও বাইচ দেখতে আসেন অনেকে। তবে গত ২০২৪ ও ২০২৫ সালে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা আয়োজন হয়নি।





