জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ইসলামপুরের কদমতলী ক্বারী পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত। বিদ্যালয়টিতে ১১ জন শিক্ষক রয়েছেন। এবার এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়টি থেকে মাত্র তিনজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। তবে তিনজনই অকৃতকার্য হয়েছে। এটি বিদ্যালয়টির প্রথমবারের মতো এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ছিল। সরিষাবাড়ীর চাপারকোনা মনিজা আবুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টিও এমপিওভুক্ত। প্রতিষ্ঠানটিতে চারজন শিক্ষক রয়েছেন। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়টি থেকে ১১ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয় এবং ১১ জনই অকৃতকার্য হয়। অন্যদিকে, বকশীগঞ্জ উপজেলার শেফালী মফিজ মহিলা মাদরাসা থেকে ১৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় এবং সবাই অকৃতকার্য হয়।
ইসলামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ মামুন অর রশীদ বলেন, ‘কদমতলী ক্বারী পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। তাদের কেউই পাশ করতে পারেনি। বিদ্যালয়টিতে ১১ জন শিক্ষক রয়েছেন।’
আরও পড়ুন:
সরিষাবাড়ী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, ‘ছাপারকোনা মনিজা আবুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষক রয়েছেন। বিদ্যালয়টি থেকে ১১ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে একজন শিক্ষার্থীও পাশ করতে পারেনি।’
জামালপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শামছুল আলম বলেন, ‘যে তিনটি প্রতিষ্ঠান শতভাগ অকৃতকার্য হয়েছে; সবগুলো প্রতিষ্ঠানই এমপিওভুক্ত, তাদের পরীক্ষার্থীর সংখ্যাও কম। তারা সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা পায়। তারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পরও কেন শতভাগ ফেল হলো সে বিষয়ে আমরা তাদের কাছে জবাবদিহিতা চাইব এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো।’
উল্লেখ্য, এ বছর জামালপুর জেলা থেকে ৮৫টি কেন্দ্রে মাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট ৩৯ হাজার ৬ শত ৭২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থী ৩০ হাজার ৭৮ জন, দাখিল ৫ হাজার ৩ শত ২১ জন ও ভোকেশনাল ৪ হাজার ২ শত ৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এ বছর জামালপুরে পাশের হার শতকরা ৫৫ দশমিক ৬০ শতাংশ।




