গেল শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ও চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করার অভিযোগ তুলে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সাহিল রবীন্দ্রর পরীক্ষা বাতিল করে দায়িত্বরত শিক্ষক।
এর কয়েক ঘণ্টা পরই হোস্টেল কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ১৮ দফা দাবিতে বিক্ষোভে নামে শিক্ষার্থীরা।
তাদের মূল দাবির মধ্যে অন্যতম ছিল সাহিলের মৃত্যু নিয়ে মানহানি বক্তব্যের দায়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এবং নজরদারির দায়িত্বে থাকা অধ্যাপকের পদত্যাগ।
অবশেষে বিক্ষোভের মুখে বিবৃতির জন্য ক্ষমা চেয়ে মৃত্যুর ঘটনা তদন্তের আশ্বাস দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এরইমধ্যে তদন্তে নেমেছে মুম্বাই ক্রাইম ব্রাঞ্চ।
তার ফোনে কোনো ডিজিটাল প্রমাণ আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।





