উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম ইয়াসমিন আক্তার (১০)। সে ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। ওই ভবনের চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ তলা পর্যন্ত পরিচালিত ‘দারুন নাজাত মহিলা মাদ্রাসা’র চতুর্থ শ্রেণির আবাসিক শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে শিশুটি ভবনের বাইরের অংশে জানালার কার্নিশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসে ছিলো। নিচে ঝুলন্ত অবস্থায় শূন্যে বসে থাকতে দেখে নিচে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফ্লাটফর্ম ব্যবহার করে অক্ষত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করেন।
আরও পড়ুন
স্থানীয়দের অনেকে শিশুটির কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হওয়াকে অলৌকিক ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন। ঘটনার আকস্মিকতা নিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, শিশুটি স্বেচ্ছায় সেখানে গিয়ে থাকতে পারে।
উদ্ধারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশু ইয়াসমিন জানায়, এ মাদ্রাসায় থেকে পড়াশোনা করতে তার ভালো লাগে না। সকালেও তার বাবা-মা জোর করে তাকে মাদ্রাসার আবাসিকে রেখে যান। মাদ্রাসা থেকে বের হওয়ার বা বাড়িতে ফিরে যাওয়ার উপায় না পেয়ে সে এমন পথ বেছে নিয়েছিল।
ফেনী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মো. আবদুল্লাহ হারুন পাশা জানান, সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে টিম পাঠানো হয় ও শিশুটিকে কোনো ক্ষতি ছাড়াই নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। শিশুটিকে তার পরিবারের জিম্মায় দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।




