ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের চোঘাটা গ্রামের একটি পিকনিকের জন্য রাজারহাট বাজারের একটি দোকান থেকে পাঁচ কেজি গরুর মাংস কেনা হয়। কিন্তু রান্না শেষ হওয়ার পরই মাংস থেকে বের হতে থাকে অসহনীয় দুর্গন্ধ।
খাবার মুখে দিতেই বমি বমি ভাব অনুভব করেন অনেকে। এতে পিকনিকে আসা অতিথিদের খাবার পরিবেশনই করা সম্ভব হয়নি। তাদের অভিযোগ, এর আগেও একই দোকান থেকে কেনা মাংস নষ্ট হওয়ায় ফেলে দিতে হয়েছিল।
ঘটনার পর ক্ষুব্ধ ক্রেতারা পচা মাংস দোকানের সামনে ফেলে প্রতিবাদ জানান। অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে দোকানে না পাওয়ায় খবর দেয়া হয় বাজার কমিটিকে।
আরও পড়ুন:
পরে বাজার কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবসায়ীর স্বজনদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার ব্যবস্থা করেন।
তবে এ ঘটনায় বাজারের অন্য মাংস ব্যবসায়ীরাও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, একজনের অনিয়মে পুরো বাজারের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, শুধু ক্ষতিপূরণ নয়—অস্বাস্থ্যকর ও পচা মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে বাজারে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এদিকে যশোরের ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, লিখিত বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।




