গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তেল, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতির প্রতিবাদে ডাকা নাগরিক সমাবেশে তিনি বলেন, ‘বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু ধাপ্পাবাজ লোক জুলাই সনদ সাক্ষর নিয়ে প্রতারণা করেছেন। অন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে অন্ধকারে রেখে তারা জুলাই সদনদের মধ্যে তারা গোপনে একটি ধারা ঢুকিয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এদেশের মজলুম জনতা গণভোটের রায়ের বাস্তবায়ন দেখতে চায়। ৬৯% মানুষের রায় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো কার্পণ্যতা, শিথিলতা বা অবহেলার কোনো সুযোগ নেই। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে ফ্যাসিস্ট সরকারকে এদেশ থেকে যেভাবে বিতাড়িত করা হয়েছিল ঠিক তেমনি কোটি কোটি জনতা বিএনপিকে লাল কার্ড দেখিয়ে এ দেশ ছাড়া করবে।’
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল লতিফ খানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের যুগ্ম মহা সচিব মুফতি শরাফত হুসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, যুব মজলিশের সভাপতি পরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল্লাহ আশরাফ, কুষ্টিয়া জেলো সেক্রেটারি মুফতি আরিফুজ্জামান, খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর অধ্যাপক সিরাজুল হক প্রমুখ|
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের সূচনা ছিল ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বর থেকে, যার পরিসমাপ্তি ঘটেছিল ৩৬ জুলাই। জুলাই আন্দোলনে বিএনপি আন্দোলনে অংশীদার হিসেবে ছিল। কিন্তু আজ মসনদে বসে জুলাই গণভোটকে অস্বীকার করে তারা নানা অজুহাতে জুলাই গণভোট এবং জুলাই সনদকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে কিন্তু তা কখন সম্ভব নয়।’
প্রয়োজনে আরো একটি বিপ্লব হবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আর তাতে বিএনপিকে চরম মূল্য দিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।





