ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিজিবির কার্যক্রম শেষে রাইটস যশোর ও জাস্টিস এন্ড কেয়ার নামে দুটি মানবাধিকার সংস্থা আইনি সহায়তা দিতে তাদের গ্রহণ করেছে। ফেরত আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে ৪৪ পুরুষ ও ৬ নারী রয়েছে। ভারতের জেলে দেড় বছর থেকে ৭ বছর পর্যন্ত এরা কারাভোগ করে।
এদিকে রাত সাড়ে ৮ টায় শুন্যরেখায় বাংলাদেশীদের হস্তান্তর প্রক্রিয়ার সময় ভারত- বাংলাদেশের বেনাপোল ও হরিদাসপুর সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি, বিএসএফ, ইমিগ্রেশন পুলিশ এবং বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, ফেরত আসা ৫০ বাংলাদেশিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পোর্টথানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। সেখান থেকে মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করবে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, ইমিগ্রেশন ও পোর্ট থানা পুলিশের আইনি প্রক্রিয়া শেষে ফেরত আসা নারীদের আইনি সহায়তা ও পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য মানবাধিকার সংস্থা ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ ও ‘রাইটস যশোরে’র জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা ফেরত আসা নারীদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
রাইটস যশোরের নির্বাহী পরিচালক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক জানান, ফেরত আসা বাংলাদেশিদের পরিবারে অভাব অনটনের সুযোগ নিয়ে ভালো কাজের কথা বলে ভারতে পাচার করে। পরে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে বিভিন্ন ঝুঁকি মূলক কাজে ব্যবহার করে। অবৈধ অনুপ্রবেশের খবর পেয়ে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে জেলে পাঠায়। ভারতীয় মানবাধিকার সংস্থা সেখান থেকে ছাড়িয়ে তাদের শেল্টার হোমে রাখে। পরে সরকারের সহযোগিতা নিয়ে ট্রাভেল পারমিটে তারা ফেরত আসে। ফেরত আসা বাংলাদেশিদের আইনি সহায়তাসহ কর্মসংস্থান তৈরিতে কাজ করবে মানবাধিকার সংগঠন।





