এর আগে গত বছরও বিজয়নগরের নলঘরিয়া সীমান্ত দিয়ে বিএসএফের প্রায় সাড়ে সাতশোজনকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশ ইন করার চেষ্টা বিজিবির সঙ্গে মিলে রুখে দেয় সীমান্তবর্তী বাসিন্দারা।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর, আখাউড়া ও কসবা উপজেলার প্রায় ৭৩ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে ভারতের ত্রিপুরার রাজ্যের সঙ্গে। এসব সীমান্ত এলাকা দিয়ে অতীতে একাধিকবার অবৈধভাবে ভারতীয় নাগরিকদের পুশ ইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পুশ ইন চেষ্টার ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টহল জোরদার করে বিজিবি। অবৈধভাবে যেন ভারত থেকে কাউকে পুশ ইন করা না হয় সেজন্য সর্বোচ্চ সর্তকতা অবস্থায় রয়েছেন বিজিবি সদস্যরা৷
এছাড়াও সীমান্ত এলাকায় পুশ ইন ও চোরাচালানবিরোধী সতর্কতামূলক মাইকিং করছে বিজিবি। এ অবস্থায় গতকাল রাতে নোয়াবাদী সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন করতে পারে বিএসএফ- এমন খবরে বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও সীমান্ত পাহারায় এগিয়ে আসে।
বিজিবি ২৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ বলেন, অবৈধভাবে যেন কাউকে পুশ ইন করা না হয় সেজন্য বিএসএফকে প্রতিনিয়ত বলা হচ্ছে। সতর্কতা হিসেবে আমরা আমাদের হিসেবে টহল কার্যক্রম জোরদার করেছি। ২৫ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে কোনোভাবেই পুশ ইন করতে দেয়া হবে না। এক্ষেত্রে সীমান্তের বাসিন্দারাও বিজিবিকে সহযোগিতা করছেন।
এছাড়াও সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অবৈধ পণ্য চোরাচালান ঠেকাতে বিজিবির আভিযানিক ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান বিজিবি অধিনায়ক জাব্বার আহমেদ।





