কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্টে অবস্থিত এসএসকে উর্মি বীচ পয়েন্ট থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় ৮০০ জন রানার অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতায় ৫ ও ১০ কিলোমিটারের দুইটি ক্যাটাগরি ছিলো। এর মধ্যে ৫ কিলোমিটার ক্যাটাগরিতে অংশ নেন ২৭০ জন এবং ১০ কিলোমিটার ক্যাটাগরিতে অংশ নেন ৫২৯ জন দৌড়বিদ।
রান শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নারী ও পুরুষ মিলিয়ে মোট ১৮ জন দৌড়বিদকে পোডিয়াম পুরস্কার প্রদান করা হয়। তারা নির্ধারিত দূরত্ব সর্বনিম্ন সময়ে সম্পন্ন করে সেরা হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন। এছাড়া অংশগ্রহণকারী সব রানারকে মেডেল, ফুড প্যাকেজ দেয়া হয়।
আরও পড়ুন:
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি)-এর লেফটেন্যান্ট কর্নেল ও এসএসকে উর্মির পরিচালক কাজী মাকসুদুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আল্ট্রা ম্যারাথনার ও সোয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান খবীর উদ্দিন খান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক ও রেস ডিরেক্টর এস, এম, সাদেক।
আয়োজকরা জানান, আগামী নভেম্বর মাসের ১৪ তারিখ কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ম্যারাথন আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়ে আগাচ্ছেন তারা। এ আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বের কাছে কক্সবাজারকে একটি স্বাস্থ্যবান্ধব ও রানিং-ফ্রেন্ডলি শহর হিসেবে তুলে ধরাই তাদের লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, এটি আয়োজকদের পঞ্চম রানিং ইভেন্ট। ২০২৩ সালে কক্সবাজার রান আয়োজনের মাধ্যমে শুরু। পরবর্তীতে তারা ভিক্টরি ডে হাফ ম্যারাথন ২০২৪, কক্সবাজার রান ২০২৫ এবং কক্সবাজার ম্যারাথন ২০২৫ সফলভাবে আয়োজন করেছে।





