সন্ত্রাস দমন ও ‘টার্গেট কিলিং’ বন্ধ করাকে নিজের প্রথম চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে এসপি মাসুদ আলম বলেন, ‘রাউজানের সন্ত্রাসীরা নগরে এসে টার্গেট কিলিং করছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় অপরাধ ও খুনের ঘটনার সঙ্গে তাদের সরাসরি যোগসাজশ পাওয়া গেছে। তাদের গতিবিধি নজরদারি করতে র্যাবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে।’
তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, এই অভিযান সফল করতে পুলিশ একা নয়, বরং সব বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমন্বিত ও ফলপ্রসূ পদক্ষেপ নেয়া হবে।
মতবিনিময় সভায় জঙ্গল সলিমপুর নিয়েও নিজের পরিকল্পনার কথা জানান এসপি। সেখানকার সড়ক প্রশস্ত করা এবং সরকারি দপ্তর স্থাপনের মাধ্যমে এলাকাটিকে সুশৃঙ্খল কাঠামোর আওতায় আনার ওপর জোর দেন তিনি।
পুলিশের আচরণ ও পেশাদারিত্ব প্রসঙ্গে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মাসুদ আলম বলেন, ‘সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে কোনোভাবেই অপেশাদার আচরণ করা যাবে না। কোনো পুলিশ সদস্য অপরাধে জড়িয়ে পড়লে বা দায়িত্বে অবহেলা করলে তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না। এক্ষেত্রে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করব।’
আসন্ন ঈদুল আজহা প্রসঙ্গে তিনি জানান, কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি দমনে পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকবে। সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে উৎসব উদ্যাপন করতে পারে, সে লক্ষ্যে মহাসড়কসহ জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি রাখা হবে।





