নিহত গোলাম হোসেন পেশায় রিকশাচালক। তিনি একই এলাকার ইয়াসিন আলীর ছেলে। হামলাকারী কালু নিহত গোলামের খালাতো ভাই এবং একই এলাকার আকবর আলীর ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির।
স্থানীয়রা জানান, ২ দিন আগে ঘটে যাওয়া তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
নিহত গোলামের স্ত্রী আলিয়া খাতুন জানান, তার স্বামী বাগানে আমগাছে বিষ প্রয়োগ করে সন্ধ্যার পর বাড়ি এসে গোসল করছিল। এ সময় হঠাৎ করে কালু এসে পিছন থেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে হত্যা করে। পরে তাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর-২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন:
নিহতের স্ত্রী আলেয়া খাতুন আরও জানান, গত পরশু গোলাম হোসেন তার রিক্সা নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করার সময় বন্যার বাড়ির প্রাচীরে আঘাত লাগে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বন্যা এবং কালু মিলে গোলাম হোসেনকে মারধর করে। পরে বিষয়টি স্থানীয়রা মীমাংসা করে দেয়।
নিহতের স্বজনদের দাবি, বিষয়টি মীমাংসা করার পরও মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হঠাৎ করে কালু ধারালো অস্ত্র নিয়ে গোলামের স্ত্রী আলিয়া খাতুনের সামনে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই কালু এবং বন্যা আত্মগোপন করে।
খবর পেয়ে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের একটি দল মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনা শোনার পরপরই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। হত্যার কারণ উদঘাটনসহ আসামী আটকের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।





