সারা দেশের মতো দুর্গাপুরেও নির্মিত হচ্ছে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। তবে ৭ বছর ধরে ধীর গতিতে চলছে এর নির্মাণ কাজ।
২০১৯ সালে ৪৩ শতাংশ জমিতে ১২ কোটি ২৩ লাখ টাকায় নির্মাণ কাজ পায় এস আলম এন্টারপ্রাইজ। মেয়াদের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারায় ২০২৩ সালে কার্যাদেশ বাতিল করা হয়। ২০২৪ সালের ৮ এপ্রিল পুনরায় কার্যাদেশ পায় আতাউর রহমান খান লিমিটেড ও অসীম সিংহ জেভি নামের দুটি প্রতিষ্ঠান। দুই দফা টেন্ডারে নির্মাণে ব্যয় বাড়ে সাড়ে ৪ কোটি টাকা।
মসজিদের ভেতর ও বাইরের অংশের কাজ শেষ হলেও চলাচলের রাস্তা নিয়ে দেখা দিয়েছে জটিলতা। বর্তমানে পুকুর ভরাট করে নতুন রাস্তা নির্মাণের পরিকল্পনা করছে প্রশাসন, যা নিয়েও ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।
এদিকে মসজিদ উদ্বোধন না হতেই একাধিক অংশে দেখা দিয়েছে ফাটল। স্থানীয়রা বলছে, মসজিদের সিড়ি থেকে শুরু করে বিভিন্ন অংশে ফাটলের চিহ্ন রয়েছে। দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনো নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি। তাছাড়া একাধিক অনিয়মের কথা বলছেন স্থানীয়রা।
আরও পড়ুন:
স্থানীয়দের অভিযোগ, জায়গা নির্ধারণের পূর্বে সমস্যা নিয়ে আলোচনা হলেও অপরিকল্পিতভাবে স্থান নির্বাচন করায়- মসজিদ এবং ঈদগাহ মাঠ কোনোটিরই সুফল পাচ্ছেন না মুসল্লিরা। এলাকাবাসীরা বলছেন, এ এলাকায় মসজিদটি না করলেও হতো। কেননা এর পাশেই আরেকটি মসজিদ আছে।
গণপূর্ত অধিদপ্তর বলছে, বিগত সময়ের জটিলতার কারণে প্রকল্পটি এখন সংকটে। তবে বর্তমান কাঠামো ঠিক রেখে পুকুর পাড়ের সৌন্দর্যবর্ধনসহ মসজিদটি দ্রুত ব্যবহারের উপযোগী করার আশ্বাস তাদের।
নেত্রকোনা দুর্গাপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার আফরোজা আফসানা বলেন, ‘মানুষ জন যেন ঠিক ভাবে মসজিদে নামাজ পড়তে যেতে পারে সে জন্য রাস্তা তৈরির কাজ চলছে।’
নেত্রকোনা গণপূর্ত বিভাগ নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফারজান আনোয়ার বলেন, ‘পুকুর ভরাট না করে রাস্তা তৈরির জন্য পরিকল্পনা রয়েছে।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এবং গণপূর্ত বিভাগের বাস্তবায়নে দুই দফায় সর্বমোট ১৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা চুক্তিমূল্যে দীর্ঘ ৭ বছর ধরে চলছে মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ।





