পহেলা বৈশাখ ঘিরে চাহিদা বেড়েছে ইলিশের; নিষিদ্ধ সময়েও চলছে আহরণ

পহেলা বৈশাখ ঘিরে চলছে ইলিশ আহরণ
পহেলা বৈশাখ ঘিরে চলছে ইলিশ আহরণ | ছবি: এখন টিভি
0

পহেলা বৈশাখকে ঘিরে চাহিদা বেড়েছে ইলিশের। তাই আহরণ নিষিদ্ধ সময়েও ইলিশ শিকারে নদীতে ছুটছে বেপরোয়া জেলেরা। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নদী পাড়ের আড়তগুলোতেও ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড় বেড়েছে। এতে ভেস্তে যাচ্ছে জাটকা রক্ষায় দুই মাসের অভয়াশ্রম কর্মসূচি।

বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। আবহমানকাল ধরে পান্তা-ইলিশ খাওয়ার মধ্য দিয়ে উৎসবটি পালিত হয়ে এসেছে। তবে আগের মতো আর ইলিশ সহজলভ্য নেই। তাই ইলিশ উৎপাদনের ধারা ঠিক রাখতে নদ-নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরায় ১ মার্চ থেকে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার।

তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চাঁদপুরের মেঘনা নদীপাড়ের আড়তগুলোতে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে ইলিশের চাহিদা বাড়ে, তাই বাড়তি দামের আশায় ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরছে জেলেরা। এতে নির্বিচারে ধরা পড়ছে জাটকাও। বিক্রিও হচ্ছে বেশ চড়া দামে।

জেলেরা জানান, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ইলিশের দাম পাওয়া যায়। এ সময় চাহিদা তুলনামুলক বেশি থাকে।

আরও পড়ুন:

ক্রেতারা জানান, ইলিশ মাছের দাম অনেক, তবে চাহিদার তুলনায় বাজারে যোগানের সংকট রয়েছে।

মৎস্য বিভাগের দেয়া তথ্যমতে, নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলায় নিবন্ধিত প্রায় অর্ধলাখ জেলেকে চালসহ নিত্যপণ্য সহায়তা দেয়া হয়। তাই জাটকা রক্ষায় অভিযান চালিয়ে প্রায় দেড়শ' জন জেলেকে আটক করে বিভিন্ন দণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। অভিযান চালু রাখার পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

চাঁদপুর সদর উপজেলা সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ কেন্দ্র করে পান্তা-ইলিশের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। যদিও সামাজিকভাবে অনেকেই বয়কট করেছে তবুও এর চাহিদা রয়েছে। এ সময় ইলিশ ধরার প্রবণতা বেশি থাকে। এজন্য আমরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবো।’

ইলিশের উৎপাদন দিন দিন কমছে, জাটকা রক্ষা করা না গেলে আগামীতে আরও কমবে ইলিশ। তাই জাটকা রক্ষায় সবাই সচেতন হবে এমনটাই আশা।

এফএস