এসময় গণমাধ্যম কর্মীরা হকার ও যানজট সমস্যার সমাধানে বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করেন।
এর জবাবে প্রশাসক বলেন, ‘শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করতে সরকার উচ্চপর্যায় থেকে নির্দেশনা রয়েছে। তবে গত ১৫ বছরেও যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি। এবার হকার ও অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হবে।’
প্রধান সড়ক থেকে হকার উচ্ছেদ এবং অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে লাইসেন্সপ্রাপ্ত অটোর সংখ্যা বাস্তবতার তুলনায় অনেক বেশি। এ খাতে সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়া হবে। নির্দিষ্ট সড়ক ও এলাকায় ভিন্ন রঙের রিকশা চালু, ডিজিটাল নাম্বার প্লেট এবং চালকদের জন্য পরিচয়পত্র চালুর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এছাড়া নির্দিষ্ট এলাকার রিকশা অন্য এলাকায় প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে চেকপোস্ট বসানো হবে।’
আরও পড়ুন:
হকারদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যারা সিটির বাসিন্দা তাদের জন্য পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া যানজট কমাতে বাপ্পি চত্বর থেকে আদালত প্রাঙ্গণ পর্যন্ত ‘টাউন সার্ভিস’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে ভাড়া নির্ধারণ করা হবে ১০ টাকা। এ প্রকল্প দ্রুত পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে।’
সভায় তিনি আরও জানান, এ কার্যক্রমে কোনো ধরনের বাধা সহ্য করা হবে না—দলীয় বা বিরোধী যেই হোক না কেন, আইন প্রয়োগে কঠোর অবস্থানে থাকবে প্রশাসন।
এ সভায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের নারায়ণগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।





