বিদায় বেলায় গুরু শিষ্য ভাব বিনিময় করেন। একে অপরের সঙ্গে আলিঙ্গন করেন। আবারও মিলিত হওয়ার বাসনা রেখে আখড়াবাড়ি ছেড়ে আপন নীড়ে ফিরছেন সাধু বাউলরা।
আধ্যাত্মিক সাধক ফকির লালন সাঁই তার জীবদ্দশায় কালীগঙ্গা নদীর তীরে ফাল্গুনের দোলপূর্ণিমার রাতে ভক্ত-শিষ্যদের নিয়ে সাধুসঙ্গ করতেন। তার দেহত্যাগের পর সেই রেওয়াজ ধরে রেখেছেন ভক্তরা।
আরও পড়ুন:
পরবর্তীতে লালন একাডেমি প্রতিষ্ঠার পর দোলপূর্ণিমার আয়োজন উৎসবে রূপ নেয় এবং প্রতিবছর দেশ-বিদেশ থেকে ভক্তরা মাজার প্রাঙ্গণে সমবেত হন।
তবে এবার পবিত্র রমজান মাসে দোলপূর্ণিমা হওয়ায় আয়োজন ছিল সীমিত পরিসরে। ছিল না গ্রামীণ মেলার জৌলুশ কিংবা বড় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তবুও বাউল সাধু-গুরুরা চিরাচরিত নিয়মে উৎসবে অংশ নেন।
লালন গবেষকদের মতে, বিশ্বজুড়ে হিংসা-হানাহানি ও মূল্যবোধের অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে লালনচর্চা বাড়ানো মানবিক সমাজ গঠনে সহায়ক হতে পারে। দোল উৎসব শেষ হলেও কার্তিকে ফকির লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবসের অনুষ্ঠানকে ঘিরে এখন থেকেই দিন গুনছেন ভক্ত অনুসারীরা।





