সিলেটের ঐতিহাসিক আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে মঞ্চ ও প্যান্ডেল তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিকরা। জামায়াত আমিরের আগমন উপলক্ষে এক দিন আগে থেকেই স্লোগানে আর মিছিলে উচ্ছ্বসিত ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা।
কর্মী-সমর্থকরা বলছেন, প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করতে এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রাণবন্ত করতে জামায়াতে আমিরের সিলেট সফর ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
নেতাকর্মীদের একজন বলেন, ‘লাঙলকে দিয়েছে, নৌকাকে দেয়া হয়েছে দিন শেষে তো কেউ নেই। বার বার বেঈমানি করে চলে যায়। জামায়াত ইসলাম সব শ্রেণি-পেশার সংগঠন। গণমানুষের সংগঠন এটি। হিন্দু-মুসলিম সবাই যারা যার অবস্থান থেকে এ সংগঠনে যুক্ত হতে পারে।’
আরও পড়ুন:
জনসভায় পুরুষ ভোটারদের পাশাপাশি নারী ভোটারদের টানতে রাখা হচ্ছে বিশেষ ব্যবস্থা। এটি স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সমাবেশ হবে বলেও প্রত্যাশা নেতাকর্মীদের।
সিলেট -১ এর সিলেট জেলা জামায়াতে ইসলামী আমির ও সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘জাতির উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য উনি এখানে পেশ করবেন। তাই আমি সিলেটবাসীকে অনুরোধ করবো দল মত নির্বিশেষে সবাই আসবেন।’
নির্বাচনি জনসভা কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সেজন্য মঞ্চ ও আশেপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছে সিলেট মহানগর পুলিশ।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘মাঠে আমাদের নিরাপত্তা বলয় থাকবে। পাশাপাশি মঞ্চের আশেপাশে সব জায়গাতেই আমাদের নিরাপত্তা বলয় থাকবে।’
আজ সকাল ১০টায় হবিগঞ্জ এবং বেলা ১২টায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় নির্বাচনি জনসভা শেষে বিকেল ৩ টায় সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। পরে, সুনামগঞ্জের জনসভায় যোগ দেবেন তিনি।





