কমিশনার বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীসহ তিন বাহিনী সব সময় সহায়তায় থাকবে। কোনো অনৈতিক নির্দেশ মানার বাধ্যবাধকতা নেই। নির্বাচনের দিন আপনারাই কেন্দ্রের প্রধান। ডিসি, এসপি বা ইউএনও—কেউ অনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার করতে চাইলে তা মানবেন না।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচন নিয়ে অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে উল্লেখ করে কমিশনার বলেন, ‘গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে। যারা ভিউ ব্যবসা করেন, তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচন হবে না, সে গুজব ছড়াচ্ছে।’ এ ধরনের কথায় কান না দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।’
তিনি আরও জানান, নির্বাচনি দিন প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে সিনিয়র পুলিশ সদস্যদের বডিওর্ন ক্যামেরা থাকবে এবং কেন্দ্রগুলো সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। আনসার সদস্যরা বিশেষ নিরাপত্তা অ্যাপ ব্যবহার করবেন। কোনো ঘটনা ঘটলে দশ মিনিটের মধ্যে সহায়তা পৌঁছে যাবে।
ভোট গণনা প্রসঙ্গে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘গণভোট থাকায় গণনায় কিছুটা সময় লাগতে পারে। তবে সঠিক পরিকল্পনা নিলে তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যেই গণনা শেষ করা সম্ভব। আগের নির্বাচন পদ্ধতি ভুলে যেতে হবে। আমাদের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে হবে।’
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হোসেন। প্রধান অতিথি ছাড়াও বক্তব্য দেন মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আলী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নাজিম উদ্দিন, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি মেজর এ এম এস রাফিউল চৌধুরী, সাটুরিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৌমিত গুহ ইভা এবং সাটুরিয়া থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে অংশ নেন ৬৩ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৩৩৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৬৬৮ জন পোলিং এজেন্ট।





