সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সেনাবাহিনীসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথভাবে কাজ করা হচ্ছে। জনগণের জানমাল ও ভোটাধিকার রক্ষায় সেনাবাহিনী সর্বদা বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে আজকে থেকে থেকে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে নিয়মিত টহল কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।
আরও পড়ুন:
নোয়াখালীতে ২১ প্লাটুন সেনাবাহিনী, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, ২ হাজার ৪৫০ জন পুলিশ সদস্য নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর ওয়াসিফ জানান, আগামী ১২তারিখ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে ও ভোটারদের নিরাপত্তার স্বার্থে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের যৌথ টহল আজ থেকে শুরু হয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপরাধী যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটাতে পারে সেজন্য আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে আছি। নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম শেষ হওয়া পর্যন্ত এই টহল অব্যাহত থাকবে।





