পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ জানান, গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় মিলন। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর ১৮ নভেম্বর আশুলিয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন মিলনের মা জোসনা বেগম। এর কিছুদিন পর ১ ডিসেম্বর আশুলিয়া মডেল টাউনের একটি কাশবন থেকে অজ্ঞাতনামা কঙ্কাল ও কাপড় উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে কাপড় দেখে মিলনকে শনাক্ত করেন তার স্বজনরা।
আরও পড়ুন:
তিনি আরও জানান, আদালতের নির্দেশে গত ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে পিবিআই ঢাকা জেলা। তাদের অভিযানে ১৬ জানুয়ারি দিবাগত রাতে সাভারের আক্রান বাজার থেকে মূল আসামি মো. রনি মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অটোরিক্সা কেনাবেচায় জড়িত মো. এরশাদ আলী ও অটোরিক্সা গ্যারেজ মালিক মো. আবুল কালামকে গ্রেপ্তার করা করে পিবিআই।
নগদ টাকার প্রয়োজনে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই ১৫ বছরের কিশোর মিলন হোসেনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পিবিআই। এই ঘটনায় জড়িত মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়েছে।





