নিহত জিতু ধরমন্ডল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জিতু মিয়ার সঙ্গে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় রমজান মেম্বারের বিরোধ চলছিল। সোমবার দুপুরে মসজিদবাজার এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যান জিতু মিয়া। সেখানে প্রতিপক্ষের লোকজনের সঙ্গে দেখা হয় তার। বিয়েতে তাদেরকে দাওয়াত দেয়ায় ক্ষিপ্ত হন তিনি। পরে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষের লোকজন।
আরও পড়ুন:
ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে জিতু মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘বিয়ের দাওয়াত নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সংঘর্ষে সাবেক ইউপি সদস্য জিতু মিয়া নিহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে।’





