পুরস্কার গ্রহণ করার সময় মিনহাজ চৌধুরী বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ২০ কোটিরও বেশি মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করা আর্সেনিক ও ফ্লোরাইড দূষণের ‘নীরব সংকটের’ দিকে বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ বিষাক্ত উপাদানগুলো ক্যান্সার, হাড়ের বিকৃতি এবং শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মারাত্মক ক্ষতি করে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের উচিত দূষণের এ সমস্যার সমাধান একদম উৎসে বা পানির ট্যাপেই করা, যাতে হাসপাতালগুলোতে রোগীদের চিকিৎসার ওপর চাপ না পড়ে।’
আরও পড়ুন:
ড্রিংকওয়েলের পেটেন্ট করা ‘হিক্স-ন্যানো’ (HIX-Nano™) প্রযুক্তি প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় মাত্র ৩০ শতাংশ খরচে পানি থেকে আর্সেনিক ও ফ্লোরাইড দূর করতে সক্ষম। বর্তমানে ৭০০টিরও বেশি পানি শোধনাগার স্থাপনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিদিন ৩০ লাখেরও বেশি মানুষকে সেবা দিচ্ছে, যা প্রমাণ করে যে নিরাপদ পানি সরবরাহ সাশ্রয়ী এবং ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণযোগ্য।
বাংলাদেশে ড্রিংকওয়েল ঢাকা ওয়াসা, চট্টগ্রাম ওয়াসা, খুলনা ওয়াসা, রাজশাহী সিটি করপোরেশন এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করছে। কেবল প্রযুক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রতিষ্ঠানটি পানি প্রকল্পের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা ‘নির্মাণ, অবহেলা এবং পুনরায় নির্মাণ’-এর চক্রটি ভাঙার চেষ্টা করছে।
সরকার, উন্নয়ন ব্যাংক এবং বেসরকারি অংশীদারদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ড্রিংকওয়েল পানিকে একটি অবহেলিত সেবার পরিবর্তে সুরক্ষিত ও সুপরিচালিত সম্পদে রূপান্তর করছে, যা লাখ লাখ বাংলাদেশির স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখছে।





