স্থানীয় সময় সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলবে রাত দশটা পর্যন্ত। ভোটকেন্দ্রগুলো বন্ধ হওয়ার পরপরই ইসরাইলি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে বুথফেরত সমীক্ষার প্রাথমিক আভাস প্রচার করা হবে। তবে কোনো দল বা জোট স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে সরকার গঠনের অনিশ্চয়তা দীর্ঘায়িত হতে পারে। আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে ভোট গণনা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে ৪ নভেম্বর।
ইসরাইলের ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে ভোট নেয়া হয়। পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে প্রতিটি দলকে ন্যূনতম ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়। প্রায় এক ডজন দলের এই নির্বাচনি সীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা থাকায় আসন বণ্টন ও চূড়ান্ত হিসাব মেলাতে বেশ সময় লাগে।
ইসরাইলের রাজনৈতিক ইতিহাসে কোনো একক দল কখনোই সরকার গঠনের মতো নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে সব সময়ই একাধিক দলের সমন্বয়ে জোট সরকার গঠন করতে হয়। চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়ার পর দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ পার্লামেন্টের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। এরপর সরকার গঠনের সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে এমন একজন নেতাকে তিনি মনোনীত করবেন। মনোনীত সেই নেতা সরকার গঠনের জন্য সর্বোচ্চ ৪২ দিন সময় পাবেন।
সরকার গঠনের এই প্রক্রিয়ায় প্রতিটি আসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং ছোট দলগুলো সরকার গঠনের মূল চালিকাশক্তি বা কিংমেকার হিসেবে আবির্ভূত হয়। মনোনীত নেতা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকার গঠনে ব্যর্থ হলে অন্য কোনো নেতাকে সেই সুযোগ দেয়া হতে পারে। শেষ পর্যন্ত কোনো পক্ষই সরকার গঠনে সক্ষম না হলে দেশটিতে ফের নির্বাচনের ডাক দেয়া হয় এবং বর্তমান মন্ত্রিসভাই অন্তর্বর্তী সরকার হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যায়।





