ব্যাটারদের ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হার, ক্ষুব্ধ তাসকিন

তাসকিন আহমেদ
তাসকিন আহমেদ | ছবি: সংগৃহীত
0

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটা ব্যাটসম্যানদের জেতানো উচিত ছিলো। অথচ বারবার একই ভুল করছে আমাদের ব্যাটাররা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি ব্যাটারদের ব্যর্থতাকে দুষলেন তাসকিন আহমেদ। জানালেন, এখনই ভুল শোধরাতে না পারলে বিশ্বকাপে আবারও ভরাডুবি হবে দলের।

তাসকিন আহমেদ বলেন, ‘রিপিটেডলি কিন্তু মানে ব্যাটিংয়ে প্রায় প্রায় মিস্টেক করা হয়। বোলিংয়ের তাও তো একটা কনসিস্টেন্সিটা কিছুটা বেটার হইছে।’

অনেকটা অসহায় স্বীকারোক্তি তাসকিন আহমেদের কথায়।

তাসকিন আরও বলেন, ‘আমরা একটাও পার্টনারশিপ করতে পারি নাই আনফরচুনেটলি। একটা পার্টনারশিপ করলেই গেমটা বের হয়ে যাইতো।’

ব্যাটাররা পারলে বোলাররা পারেন না। বোলাররা পারেন তো ব্যাটাররা পারেন না। টিম গেইমে সম্মিলিত অবদানের অভাবে এককালের প্রিয় ফরম্যাটটা যেন খেলতেই ভুলে গেছে বাংলাদেশ। তারই ফল জিম্বাবুয়ের কাছে রীতিমতো নাকানি-চুবানি। অথচ আবুধাবীর রানপ্রসবা উইকেটে কিভাবে ব্যাট চালাতে হয়- চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে গেছেন ব্রেন্ডল টেইলর-ক্রেইগ এরভিনরা। বিপরীতে শান্ত-হৃদয়রা করেছেন দায়িত্বহীন ব্যাটিং প্রদর্শনী।

তাসকিন বলেন, ‘আজকে যেরকম পিচ ছিল, আমরাও তো বল করেছি। দেখেন, আসলে একটু এদিক-সেদিক হলেই কিন্তু পানিশড হচ্ছিল। কিন্তু মানে ২৭০ ডেফিনেটলি চেজেবল ছিলো।’

প্রয়োজনের মূহুর্তে কেন এভাবে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়লো বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ? দ্বিধাহীন কণ্ঠে তাসকিন জানালেন, ক্রিকেটাররা ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে খেলতেই শেখেননি এখনও।

তিনি আরও বলেন, ‘গেম অ্যাওয়ারনেসের ল্যাকিংটা একটু বেশি। কারণ স্কিল কিন্তু সবার আছে এবং আপনারা যারাই ক্রিকেট খেলা দেখেন এবং প্রত্যেকটা ব্যাটসম্যানের কিন্তু প্রমাণ করেছে যে দে ক্যান ব্যাট ওয়েল। তো মাঝে মাঝে আমরা টিমওয়াইজ দেখবেন আন্ডার প্রেসারে পড়লে খুব দ্রুত কলাপস করি। এই জিনিসটাই আমাদের আসলে বের হয়ে আসতে হবে।’

আফগানিস্তান আর জিম্বাবুয়েকে নিয়ে গড়া এই ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ অবধারিতভাবেই হট ফেবারিট ছিল। অথচ ফাইনাল খেলাই এখন কঠিন হয়ে পড়লো। এই সিরিজের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গেছে। প্রথম ম্যাচের হোঁচটেই শিক্ষাও হয়ে গেছে তাসকিনদের।

তিনি বলেন, ‘ওয়ার্ল্ড কাপের আগে এশিয়া কাপ সবথেকে বড় লক্ষ্য। কিন্তু তার আগে ডেফিনেটলি এসব খেলাগুলো না জিততে পারলে কিছুটা কনফিডেন্টের ঘাটতি আসবে। বাট ঠিক আছে, আশা করছি সামনের যে ম্যাচটা আছে, সেটা জিতে জিতে আমরা ফাইট ব্যাক করতে পারি ইনশাল্লাহ। স্টিল পসিবল।’

বুধবার (২১ অক্টোবর) বাঁচা-মরার লড়াইয়ে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

জেআর