নারীদের ঘরোয়া ক্রিকেট আয়োজন অনিয়মিত থাকাটাই যেন এক রীতি বানিয়ে ফেলেছিল বিসিবি। শেষ কবে প্রিমিয়ার ডিভিশন খেলা হয়েছে তাও ভুলতে বসেছেন অনেকেই।
তবে, নতুন খবরটা কিছুটা আশাবাদী করতেই পারে নারী ক্রিকেটারদের। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নারীদের ঘরোয়া ক্রিকেটের ক্যালেন্ডার তৈরি করেছে বিসিবি। যেখানে ঠাঁই পেয়েছে বহুল আরাধ্য লাল বলের ক্রিকেট। নারী উইংয়ের প্রধান রফিকুল ইসলাম বাবু জানালেন পরিকল্পনার বিস্তারিত।
নারী উইংয়ের প্রধান রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘আমাদের মেয়েদেরও অনেক খেলা আছে। আলহামদুলিল্লাহ, এটা তৈরি করার জন্য আমি আমাদের যে অপারেশনস ম্যানেজার বা যারা আছে তাদেরকে নিয়ে বসে এই জিনিসটা কনফার্ম করেছি এবং আগামী ২০২৭ সাল পর্যন্ত দেখবেন আমাদের সমস্ত ঘরোয়া ক্রিকেটে কি খেলা আছে, অর্থাৎ আমাদের দেশের বাইরে, আমাদের ন্যাশনাল টিমের কি খেলা আছে, এই টিমের কি খেলা আছে, ইমার্জিং টিম, আন্ডার নাইনটিন এর কি অবস্থা সবকিছু খেলা এখানে দেয়া আছে।’
লাল বলের ক্রিকেটে ঘরোয়া আসর এর আগে হয়েছে দুইবার। তবে, সেটা অনিয়মিত। বিসিবির নারী উইংয়ের প্রধান আশ্বস্ত করলেন, আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসে শুরু হওয়া আসরটি ধারাবাহিকতা ধরে রাখবে সামনের দিনগুলোতেও।
রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ইনশাল্লাহ এটা যদি একবার শুরু হয়ে যায়, তাহলে আমার মনে হয় এটা আর থামবে না ইনশাল্লাহ আমি শুরু করে দিয়ে যাই, ইনশাল্লাহ ইট উইল কন্টিনিউ।’
বাংলাদেশের মেয়েদের টেস্ট স্ট্যাটাস এসেছে আরও ৫ বছর আগেই। কিন্তু, ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণে খেলার স্বাদ পাননি জ্যোতি-নাহিদা-সুপ্তারা। রফিকুল ইসলাম বাবু জানালেন, আগামী এক বছর প্রস্তুত করা হবে নারী ক্রিকেটারদের। এরপরেই টেস্টে পা রাখবে বাংলাদেশের মেয়েরা।
রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘আমাদের এই লংগার ভার্সন ক্রিকেট মাত্র এখন চারটি ম্যাচ হয় বছরে। আমি এটাকে সুযোগ পেলেই আরো কয়েকটি ম্যাচ আয়োজন করার চেষ্টা করব এবং ২০২৭ এ আমি বেশ কয়েকটি লংগার ভার্সন ক্রিকেট আমাদের ইন্টার্নালি আমাদের মেয়েদের ভিতরে খেলাবো যে আমি ২০২৭ এর শেষে অথবা ২০২৮ এর শুরুতেই মেয়েদেরকে টেস্ট খেলার জন্য পারমিশন বা আইসিসির কাছে আমরা অনুমতি চাইবো ইনশাল্লাহ।’
তবে, আধুনিক সময়ের ক্রিকেটের তুলনায় বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা কিছুটা পিছিয়ে সেই কথাও স্বীকার করে নিয়েছেন বর্ষীয়ান এই ক্রিকেট সংগঠক। সে কারণে প্রথমবারের মতো নারীদের ফিটনেস ক্যাম্প করার কথাও জানালেন রফিকুল ইসলাম বাবু।





