মেহেদী হাসান শ্রাবণ, মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, সাইফ ক্যারোলা, আনিসুর রহমান জিকো—সাফের আগে জাতীয় দলের রাডারে যেন গোলরক্ষকের হাট।
মিতুল মারমাকে কয়েকদিন আগেও ভাবা হচ্ছিলো দেশের এক নাম্বার গোলরক্ষক, যদিও এশিয়ান কাপে জায়গা হারিয়েছেন মেহেদী হাসান শ্রাবণের কাছে। অন্যদিকে ক্যাম্পে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সাইফ ক্যারোলার নাম ছড়ালেও উঠতে পারেননি ইন্দোনেশিয়ার বিমানে। থমাস ডুলির তৃতীয় পছন্দ সুজন হোসেন। এর বাইরেও আছে উদীয়মান অনেকের নাম।
অবশ্য এসবের মাঝে পারফর্মার খুঁজে পেতে হিমশিম খেয়েছে বাংলাদেশ। গেল বছর মিতুলের এশিয়ান কাপ বাছাই ভালো যায়নি, আবার এশিয়ানে আস্থার প্রতিদান দিতে ব্যর্থ শ্রাবণ। জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক এবং কোচ বিপ্লব ভট্টাচার্য অবশ্য সমস্যা সমাধানে চোখ রাখছেন ঘরোয়া ফুটবলে। পারফর্মার খুঁজে বের করতে বর্তমান কোচ বারবুকাসকে লিগের ম্যাচ দেখার প্রতি জোর দিচ্ছেন বিপ্লব।
আরও পড়ুন:
বিপ্লব ভট্টাচার্য বলেন, ‘লিগের পারফরম্যান্স এবং তাদের এক্সপেরিয়েন্স দেখে আপনি গোলকিপারটা নিযুক্ত করবেন, বিশেষ করে যিনি এখন গোলকিপার কোচ আছেন উনার প্রত্যেকটা ম্যাচ দেখা উচিত। পারফরম্যান্সটার মূল্যায়ন করা উচিত এবং প্রেজেন্ট সিচুয়েশনে কে বেটার করছে তার ওপর ডিপেন্ড করে সাফের গোলপোস্টে দাঁড় করানো উচিত, সেটা শ্রাবণ হোক বা এক্সওয়াইজেড যেই হোক।’
উদীয়মান গোলরক্ষকের মাঝে পুলিশ এফসির হয়ে নজর কেড়েছেন আসিফ। অনূর্ধ্ব-২০ সাফে টুর্নামেন্ট সেরা মাহিন সময় কাটাচ্ছেন মোহামেডানের বেঞ্চে। বিপ্লবের চাওয়া, অন্তত জাতীয় দলের অনুশীলনের সুযোগ থাকুক তাদের।
বিপ্লব ভট্টাচার্য বলেন, ‘আসিফ ট্যালেন্টেড গোলকিপার, মাহিনও ট্যালেন্টেড গোলকিপার। তো এই গোলকিপারদেরকে আমরা কাজে লাগাতে পারি, ওরা আমাদের ফিউচার পাইপলাইন। যে গোলকিপারটা বেটার করছে তাকে যদি আমি জাতীয় দলের ক্যাম্পে সুযোগ দেই, তার মোটিভেশনটাই চেঞ্জ হয়ে যাবে। সে চিন্তা করবে আমার জাতীয় দলের গোলরক্ষক কোচ আমাকে নিয়ে চিন্তা করছে। সে জাতীয় দলের একটা ড্রেসিং রুম শেয়ার করা, টিমের সঙ্গে ট্রেনিং করা, খেলোয়াড়দের সঙ্গে একসঙ্গে ট্রেনিংয়ে যাওয়া, এটা কিন্তু তার মোটিভেশনটা অনেক হাই করে দেয় যে ফিউচারে সে কীভাবে তৈরি হবে।’
২৫ অক্টোবর থেকে শুরু সাফের ক্যাম্প। বিপ্লব ভট্টাচার্যের চাওয়া, নাম নয়, সাফে বাংলাদেশের জার্সি থাকুক যোগ্য গোলরক্ষকের কাছে।





