সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক বিবৃতিতে সৌদি জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, হুথিরা রিয়াদকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্রটি ছুড়েছিল।
এর আগে সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য বিপদের কথা জানিয়ে রিয়াদ এবং রাজধানীর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আল-খার্জ গভর্নরেটের বাসিন্দাদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করে। পরবর্তীতে অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায় যে বিপদের ঝুঁকি কেটে গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সতর্কসংকেত জারির পরপরই রিয়াদের আকাশে চারটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘাত তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়ছে সৌদি আরব। বুধবার ভোরের দিকে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় আকাশ থেকে পড়া ধ্বংসাবশেষের আঘাতে চারজন আহত হয়েছেন এবং রিয়াদের ১৫টি বাড়ি সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ ছাড়া আল-খার্জ এলাকায়ও একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করেছে সৌদি জোট। অন্যদিকে পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাহরানে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি প্রশাসনিক ভবনে হামলায় ছোট ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
সানায় হুথিদের অবস্থানে সৌদি জোটের হামলার জবাবে দাম্মামে আরামকোর সদর দপ্তর, রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রাজধানীতে আরামকোর তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিল হুথিরা।
২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানাসহ বেশ কয়েকটি প্রদেশ দখল করার পর ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিয়ে সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট। ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চলতি বছরের জুলাইয়ে ভেঙে পড়ার পর থেকেই এই সংঘাত নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করে।





 leader Abhijeet Dipke and AISA chief Neha Bora-320x167.webp)